• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
  • English Version
Headline
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

পাকিস্তান ভারতে সতর্কতা ইবোলা ছড়ানোর আশঙ্কা

Reporter Name / ০ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

কঙ্গো ও উগান্ডায় চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রেড ক্রস জানিয়েছে, তাদের তিনজন স্বেচ্ছাসেবকও মারা গেছেন।

উগান্ডায় নতুন করে আরও তিনজনের ইবোলা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এ বিষয়ে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিবৃতি দিয়েছে। পরিস্থিতির কারণে আফ্রিকার আরও অন্তত ১০টি দেশকে ঝুঁকিতে রাখা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে এটিকে আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। পাকিস্তান বিমানবন্দরগুলোতে স্ক্রিনিং জোরদার করেছে এবং ভারতও সতর্কতা জারি করেছে।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি প্রদেশে মোট ৮৬৭টি সন্দেহভাজন সংক্রমণের মধ্যে ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ডব্লিউএইচও মৃত্যুর সংখ্যা ১৭৭ এবং সন্দেহভাজন সংক্রমণ ৭৫০ বলে জানিয়েছিল।

আফ্রিকান ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, কঙ্গো ও উগান্ডার বাইরে আরও অন্তত ১০টি দেশ ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে আছে অ্যাঙ্গোলা, বুরুন্ডি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, রিপাবলিক অব কঙ্গো, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, সাউথ সুদান, তানজানিয়া ও জাম্বিয়া। সংস্থাটি বলেছে, উচ্চ জনচলাচল ও নিরাপত্তাহীনতা রোগ ছড়ানোর বড় কারণ।

উগান্ডায় নতুন শনাক্ত তিনজনের মধ্যে একজন গাড়িচালক, একজন স্বাস্থ্যকর্মী এবং একজন কঙ্গোর নারী। তারা সবাই জীবিত আছেন।

ইবোলা একটি প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা শরীরের তরলের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং গুরুতর রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল করতে পারে। বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় যুদ্ধবিধ্বস্ত ইটুরি প্রদেশ থেকে শুরু হয়েছে, যা উগান্ডা সীমান্তের কাছাকাছি। পরে এটি দক্ষিণ কিভুতেও ছড়িয়ে পড়ে।

রেড ক্রস জানিয়েছে, ইটুরিতে তিনজন স্বেচ্ছাসেবক ইবোলায় মারা গেছেন, যারা মৃতদেহ ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তারা তখন ইবোলা প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে জানতেন না।

উগান্ডা প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের পর কঙ্গোর সঙ্গে কিছু স্থল ও পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ করেছে। নতুন রোগীদের মধ্যে সংক্রমণের সূত্র হিসেবে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শকে দায়ী করা হচ্ছে।

এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত চলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল। দক্ষিণ কিভুতে বর্তমানে রুয়ান্ডা-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে রোগ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রাদুর্ভাবটি তুলনামূলক বিরল “বুন্দিবাগিও” ইবোলা স্ট্রেইনের কারণে হচ্ছে, যার জন্য এখনো নির্দিষ্ট অনুমোদিত ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories