• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
  • English Version
Headline
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

কর ছাড় ও আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি

Reporter Name / ০ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
কর ছাড় ও আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি
কর ছাড় ও আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি

আর্থিক অব্যবস্থাপনা, কর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সরকারের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

গত ২৯ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। পরে ৩ মে বিষয়টি বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। রিটকারী আইনজীবীর বরাতে জানা গেছে, আদালত রিটটি আগামী রবিবার কার্যতালিকায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যা আইনি পর্যালোচনার দাবি রাখে। এর মধ্যে রয়েছে তার বিরুদ্ধে থাকা একাধিক কর মামলা প্রত্যাহার, কর সংক্রান্ত আর্থিক দায় মওকুফ এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা গ্রহণের বিষয়।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ৩৮টি আয়কর সংক্রান্ত মামলা ছিল, যেখানে কর ফাঁকির অভিযোগে প্রায় ১১১ কোটি টাকারও বেশি দায় ছিল। এছাড়া একটি প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দায় মওকুফ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়াও জনশক্তি রপ্তানি, ডিজিটাল ওয়ালেট অপারেশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণের বিষয়টিও রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং এসব সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও আইনের শাসনের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তাই এসব কর্মকাণ্ডের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে আইন, মন্ত্রিপরিষদ ও সংশ্লিষ্ট আইন সচিবদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে আরও বলা হয়েছে, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া অর্থনৈতিক ও নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোর বৈধতা নিরূপণ করতে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।

এখন আদালত পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি কার্যতালিকায় নিয়ে বিবেচনা করবেন বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories