• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
  • English Version
Headline
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

দোহারের দুই কিংবদন্তি – প্রজন্মে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
দোহারের দুই কিংবদন্তি - প্রজন্মে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা
দোহারের দুই কিংবদন্তি - প্রজন্মে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা

ঢাকার দোহার উপজেলার ইতিহাসে আশরাফ আলী চৌধুরী (মধু মিয়া) এবং তাঁর ছোট ভাই জি. এস. চৌধুরী (আতা মিয়া) জনসেবা, শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। এই দুই ভাই তাঁদের কাজের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জসহ দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।

মধু মিয়া ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর দোহারের জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা গোলাম রাসূল চৌধুরী এবং মাতা রাহিমুন্নেসা বেগম। তিনি আয়কর উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সভাপতি, ঢাকা জেলার গভর্নর (১৯৭৫) এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে এমএনএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন।

১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন এবং ব্যাপক জনসমর্থন পান। দোহারবাসীর কাছে তিনি আজও “মধু ভাই” নামে পরিচিত।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া টেকনিক্যাল কলেজ, জয়পাড়া প্রাইমারি বিদ্যালয় এবং জমিলা স্মৃতিভবন প্রতিষ্ঠা ও ভূমিদান করেন। এছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ এবং পুরানা পল্টনের নিধু স্মৃতি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে, তাঁর ছোট ভাই আতা মিয়া ১৯২৫ সালের ১ এপ্রিল জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজসেবক ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৪ সালে অবসর নেন এবং পরে ইনকাম ট্যাক্স ট্রাইবুনালের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি দোহার উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আজও স্মরণীয়।

শিক্ষা বিস্তারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং জয়পাড়া কলেজ ও টেকনিক্যাল কলেজের ভূমিদাতা ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং জয়পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দোহারের এই দুই ভাই তাঁদের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। সমাজসেবা, দানশীলতা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁদের অবদান আজও দোহারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।ঢাকার দোহার উপজেলার ইতিহাসে আশরাফ আলী চৌধুরী (মধু মিয়া) এবং তাঁর ছোট ভাই জি. এস. চৌধুরী (আতা মিয়া) জনসেবা, শিক্ষা বিস্তার ও সমাজকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। এই দুই ভাই তাঁদের কাজের মাধ্যমে দোহার-নবাবগঞ্জসহ দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।

মধু মিয়া ১৯১৮ সালের ১ অক্টোবর দোহারের জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা গোলাম রাসূল চৌধুরী এবং মাতা রাহিমুন্নেসা বেগম। তিনি আয়কর উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সভাপতি, ঢাকা জেলার গভর্নর (১৯৭৫) এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে এমএনএ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন।

১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন এবং ব্যাপক জনসমর্থন পান। দোহারবাসীর কাছে তিনি আজও “মধু ভাই” নামে পরিচিত।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া টেকনিক্যাল কলেজ, জয়পাড়া প্রাইমারি বিদ্যালয় এবং জমিলা স্মৃতিভবন প্রতিষ্ঠা ও ভূমিদান করেন। এছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ এবং পুরানা পল্টনের নিধু স্মৃতি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে, তাঁর ছোট ভাই আতা মিয়া ১৯২৫ সালের ১ এপ্রিল জয়পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও সমাজসেবক ছিলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৪ সালে অবসর নেন এবং পরে ইনকাম ট্যাক্স ট্রাইবুনালের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

তিনি দোহার উপজেলার প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনকল্যাণমূলক কাজ আজও স্মরণীয়।

শিক্ষা বিস্তারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং জয়পাড়া কলেজ ও টেকনিক্যাল কলেজের ভূমিদাতা ছিলেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং জয়পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দোহারের এই দুই ভাই তাঁদের কর্ম ও আদর্শের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। সমাজসেবা, দানশীলতা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁদের অবদান আজও দোহারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories