• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
  • English Version
Headline
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

ঈদুল আযহা ঘিরে জমে উঠেছে জগন্নাথপুরের কামার পল্লী

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬
ঈদুল আযহা ঘিরে জমে উঠেছে জগন্নাথপুরের কামার পল্লী

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জগন্নাথপুর উপজেলার কামার পল্লীর কামার শিল্পীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই কামার পল্লীতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। গত বছরের তুলনায় এবার পশু জবাইয়ের দা, ছুরি ও চাপাতির বিক্রিও ভালো হচ্ছে।

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এই ঈদকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারের কামার পল্লীগুলো এখন সরগরম। হাতুড়ি, ছেনি ও লোহার টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। কামার শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন কোরবানির পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে। তাদের বিশ্রাম নেওয়ারও যেন সময় নেই।

সোমবার (১৮ মে) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ আদায়ের পর সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করবেন এবং আত্মীয়-স্বজন ও দরিদ্র মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ করবেন। এজন্য অনেকে নতুন দা, ছুরি ও চাপাতি কিনছেন, আবার পুরোনো সরঞ্জাম শান দিতে ভিড় করছেন বিভিন্ন কামার পল্লীতে।

জগন্নাথপুর বাজার, কলকলিয়া বাজার, রানীগঞ্জ বাজার, রসুলগঞ্জ বাজার ও কেশবপুর বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। কামার শিল্পীরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতার সঙ্গে সরঞ্জাম তৈরি ও বিক্রি করছেন। কাজের চাপ সামলাতে অনেকেই আলাদা লোকও নিয়োগ দিয়েছেন।

কামার পল্লীতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, কোরবানির জন্য তারা নতুন দা, ছুরি ও চাপাতি কিনেছেন এবং পুরোনো সরঞ্জামেও শান দিয়েছেন। তাদের মতে, কামার শিল্পীরা সহনীয় দামেই এসব সরঞ্জাম বিক্রি করছেন। তারা আরও বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তারা কোরবানি করবেন।

এ বিষয়ে কামার শিল্পীরা জানান, সারা বছর কিছু না কিছু কাজ থাকলেও কোরবানির ঈদ এলেই ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আগে সকাল ৯টা বা ১০টায় দোকান খুললেও এখন সকাল ৮টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। ঈদের আগের রাতেও তাদের কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

তারা আরও জানান, আগে প্রতি বস্তা কয়লা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন সেই কয়লা কিনতে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। তবে খরচ বাড়লেও ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত মজুরি নিচ্ছেন না তারা। এবার বেচাকেনাও সন্তোষজনক হচ্ছে বলে জানান কামার শিল্পীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories