• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
  • English Version
Headline
দোহারে খাজা ডাইন এন্ড মা ক্যাটারিং এর শুভ উদ্বোধন স্রোতস্বিনী দোহারের ইছামতী আজ বিলুপ্তির পথে শীঘ্রই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু সিনেমায় অভিনয় করতে চায় দোহারের বিল্লাল মাহমুদ দোহারে ক্ষুদ্রঋণের নামে অফিস সহকারীর অনিয়ম,বঞ্চিত উদ্যোক্তারা বুদ্ধির খেলায় উৎসবের আমেজ – বাহ্রা বাজারে সফল টুর্নামেন্ট মানিকগঞ্জে হত্যা মামলার আসামির মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও বিক্ষোভে গ্রামবাসী বারুয়াখালীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণে দোয়া মাহফিল জুনে জ্বালানিতে নতুন ধাক্কা – বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের দাম ঈদের দিন মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ – চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

সংকট না ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা – প্রশ্ন জনমনে

Reporter Name / ১ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
সংকট না ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা - প্রশ্ন জনমনে
সংকট না ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা - প্রশ্ন জনমনে

দেশের পেট্রোলপাম্পগুলোতে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না, ফলে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) হঠাৎ করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে পেট্রোল ও অকটেন নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় ১০ দিন আগে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়ায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সমস্যায় পড়েছে। সরকারি সূত্র বলছে, ডিপোগুলোতে অকটেন রাখার জায়গা নেই, মজুত প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। তাই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে তেল নেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তথ্য সত্য হলে মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়বে। কারণ মানুষকে ৭-১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে, অথচ মজুত বেশি থাকার কথা বলা হচ্ছে। এতে সরকারের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে। দেশে উৎপাদন থাকা সত্ত্বেও মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হওয়া মানে সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা আছে। তিনি মনে করেন, আগেই কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া উচিত ছিল। এ বিষয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয় উৎপাদকদের কাছ থেকে তেল কেনা উচিত।

দেশে মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশ পেট্রোল ও অকটেন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ করে। প্রতি মাসে চাহিদা প্রায় ৭৫ হাজার টন। এর মধ্যে বড় অংশ জোগান দেয় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল। কিন্তু বিপিসি তাদের কাছ থেকেও তেল নেওয়া বন্ধ করেছে, ফলে প্রতিষ্ঠানটি সংকটে পড়েছে।

সরকারি সূত্র জানায়, পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে উচ্চপর্যায় থেকে আলোচনা ও নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। দেশে অকটেন মজুতের ক্ষমতা ৫৩ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুত প্রায় ৫৫ হাজার টন। নতুন জাহাজে তেল আসায় চাপ আরও বেড়েছে।

এদিকে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ট্যাংক ভরে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। বিপিসি কর্মকর্তারা জানান, চাহিদার তুলনায় বেশি তেল আসায় সংরক্ষণ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কেরোসিনের ডিপো ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপিসি বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করছে, ফলে বড় অঙ্কের লোকসান হচ্ছে। এ কারণে তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল কিনতে অনাগ্রহী।

বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আগে সরবরাহে সমস্যা হলেও এখন কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। ডিজেলের মজুতও বেড়েছে এবং চলতি মাসে আমদানি বাড়ছে, ফলে এই খাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।

তথ্য সূত্র: যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories